Saturday, October 17, 2015

স্বপ্ন

এইরকম অ-যথাযথ স্বপ্নের ভিতর দিয়ে যাও
সত্য কিছু পাও বা নাও যদি পাও
আঁধারে সপ্তডিঙ্গা নাহয় তুমি খামোখাই ভাসাও

দেখো আমার কৈশোর এখনো ঠিকঠাক পার হয়নি
আমি আচমকাই নিমগাছের নীচে আসনপেতে বসে পড়ি
আমার তেলহীন অযত্ন উরুতে নখ দিয়ে লিখে রাখি
তোমার মায়াবী নাম।
নারী তোমার সুশোভিত বেডরুমে আমার অযত্ন উরু কী
বড় বেশী বেমানান?


যাচ্ছেতাই ইচ্ছেতাই

যেমন ইচ্ছা বাঁচ
সুখদৃশ্যে উদ্বাহু নাচ

যেমন ইচ্ছা কামাও
টাকা এবং
সুখি মানুষের জামাও

যেমন ইচ্ছা লেখ কবিতা
আগপাশতলা তলাআগপাশ
যাচ্ছেতাই ইচ্ছেতাই
চিন্তার খোরাক সবি তা

যাহা ইচ্ছা খাও
যেথা খুশি যাও                                   

-নাই রে ভাইরে
তাই রে নাই রে –
কি  আসে যায়

আসে যায়
যায় আসে                              
যায় আসে আসে যায়
ইহাতেই সুখ
কামক্লান্ত মুখ

 

তুলে নাও এই স্বপ্ননাশ দন্ড

যদি প্রতিশ্রুতি দেই
ভুল করেও ছুঁতে চাইব না
যদি প্রতিশ্রুতি দেই
খুব গোপনে আনা চকলেটগুলো এমন আলতো
তুলে দেবো তোমার হাতে, যেন আমার উদ্বায়ী আঙ্গুল
অবচেতনেও ছুঁয়ে না দেয় তোমার করতলের
সৌভাগ্য রেখা।
যদি প্রতিশ্রুতি দেই
ল্যাপটপে পুরোনো ছবি দেখানোর সময় আমার কনুই
বুকের খুব কাছে ঘোরাফেরা করলেও আমি
যথাসম্ভব আষ্টে-পৃষ্ঠে কাষ্ঠ হব
যেন বুকের ওঠানামায় ছুঁয়ে না যায় অনুদ্বায়ী মেঘমালা
যদি প্রতিশ্রুতি দেই
হাঁটার সময় দূরত্ব রাখব একহাত নিদেনপক্ষে এক বিঘত
যেন অনিচ্ছায়ও আমার হাত ছুঁয়ে না দেয় তোমার হাত
এমনকি কড়ে আঙুল
যদি প্রতিশ্রুতি দেই
তোমার অ-জ্ঞান প্রশ্রয়েও 
আমি সজ্ঞান নিরাশ্রয়ী হব

তবু তুলে নাও এই স্বপ্ননাশ দন্ড

কবিতা ও বিষ্ঠা বিষয়ক কথকথা

ভাঙ্গার জন্যেও যে গড়ারই সূত্র
এটা  জেনেও যারা ঠেলতেই থাকেন
পরিনামে তাহারাই ব্রাত্য হন
       
আমলা কবির গামলা ভরা জ্ঞান ( নাকি ফেন)
শামসুর রাহমানকেও ভাগাড়ে ফেলে দেন
      
শেখ হাসিনার গনতন্ত্র আর
সরকার আমিনের ধর্মতন্ত্র
আমিন        আমিন
       
আমার এক বন্ধু পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের
গন্ধ পছন্দ করেন, আরেকজন ঘামের গন্ধ
কেউ পোড়া মবিলের গন্ধ পছন্দ করেন
কেউ পোড়া টায়ারের
কেউ আয়ুকামী
কেউ পায়ুগামী
কবিতার বিষ্ঠায় যারা চিন্তার খোরাক খুঁজে পান
তাদের জন্য নাড়াচড়ার কাঠিটি
যথাসম্ভব ছোট হওয়াওই যৌক্তিক