Saturday, July 30, 2016

আমি



আমার নিজের বলতে আসলে এই আমি
দুটো হাত দুটো পা
আজন্ম খরগোশের মত দুটো কান
এই আঙ্গুল, আঙ্গুলের নখ
আমার নিজের বলতে আনমনে তুলে আনা এক আঁজলা জল
জলে ভেসে উঠা শৈশবের স্মৃতি

আমার নিজের বলতে অকপট মৃত্তিকা, স্থির নীলিমা
মাঝরাতে একঘেয়ে বৃষ্টি, কুয়াশাভেজা জ্যোছনা
আমার নিজের বলতে দূর থেকে ভেসে আসা বাঁশীর
করুণ দ্যোতনা

আমার নিজের বলতে
বোকাবোকা লিখে ফেলা কিছু কবিতা, একটা অপাংতেয় হৃদয়
আমার নিজের বলতে তুমি, তেষ্টায় কাতর আবাল্য মরুভূমি

আমার নিজের বলতে
ভুরুর মধ্যে একাকী বেড়ে উঠা একটা বিষন্ন লম্বা চুল

৩০.০৭.২০১৬

অপেক্ষা



অপেক্ষার ডালপালা নিজের হাতেই কেটে দিয়ে
তবু তুমি অপেক্ষায় থাক
মধ্যবিত্ত আবেগ গুলো পাশ কাটিয়ে
জীবিকা চাতুর্যে মনযোগী হয়ে উঠলে আমার
কবিতারা মুখ ফিরিয়ে নেয়। তবু আমি
দাঁতে দাঁত চেপে সভ্যতার শেকলে নিজেকে বাঁধতে থাকি
কবিতা যদি পরাজিত না হয়
কবি কেন বার বার পরাজিত হবে?

ভয়



ভয়ে মাড়াইনা তোমার উঠোন
ববাবরই আমি ভীতু, তোমার হাস্নাহেনায় সাপ ভেবে
দূর থেকেই গন্ধ নিয়েছি
কাঁটার ভয়ে লাল গোলাপের ঘ্রাণ যে নেইনি
সেতো তুমিই ভালো জানো
এখনও হাত বাড়ালেই তোমার উঠোন, কলিং বেলের
চেয়েও সহজ বোতামে তুমি, সেই পুরোনো হাসি

তবু ভয়
আবার যদি ‘মরিবার সাধ’ হয়

০১.০৬.২০১৬