Saturday, March 9, 2019

সেপটাল ইকেমিয়া


তোমার হার্টের রিপোর্ট দেখে তুমি হাসছ
হাসতে হাসতে তোমার মাথা গিয়ে আলমারিতে ঠেকে
চামড়া কেটে তোমার কপাল থেকে রক্ত বের হচ্ছে

শীত চলে যাচ্ছে
তবু টমাটো এখনো সতেজ

মা মরে গেলে রোদ আমাকে ছায়া দেয়
বৃষ্টির জন্যে আমি লোটো থেকে একটা বড় ছাতা কিনেছি

এসোতো, আমরা ছাতার নিচে হাঁটি

০৮.০৩.২০১৯


চূড়িহাট্টায় তাস খেলে চারটা খুলি


শূন্যে ভাসছিল রাত, বালিশে চাপানো এক চোখ
অন্য চোখও খুলতে ভয় হচ্ছিল। ডাইনিং এ পায়ের শব্দ
কে উঠল? তারপর আবার সুনসান
জলের শব্দ, দুই হাতের তালুতে জল রেখে মৃদু তালির মতন
বাজল জল। একবার দুইবার

দূর থেকে ভেসে আসা শিশুর চিৎকারের মত শব্দ
একটা কোলাহল। ....আবার স্তব্ধতা
দূরে নিঃসঙ্গ ঝিঁঝিঁর ডাক; নাকি চকবাজারের ভারাক্রান্ত দুঃখের
আমি ঠিক বুঝিনা, বুঝি না কোনটা পিতার ক্রন্দন
কোনটা সন্তানের ভাইয়ের মায়ের, বোনের কিংবা প্রেমিক প্রেমিকার

নির্জন; ভাঙো দগ্ধ শব্দের কয়লা। আমি আর কবিতা লিখব না
আমি ভোর চাই, আমি বরং একটা নগ্ন নির্জন ভোরের কথা ভাবি

সহাস্যে সরবে, চূড়িহাট্টায় তাস খেলুক যত ইচ্ছে খুলি

০৫.০৩.২০১৯

আবছায়া


একটা আলোকে আমি ভালবাসতাম
কিংবা অন্ধকারকে
একটা আলোকে আমি স্বপ্নে দেখতাম এবং অন্ধকারকে
একটা আলো আমার টেবিলের পাশে বসে থাকত
আমি খাতায় আঁকিবুঁকি করতাম
একটা ঝাপসা অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে, একটা আলোর ফুটকির ভেতর
সাঁতার কেটে কেটে একটা আবছায়াকে বেড়ে উঠতে দেখলাম আমি

ছেড়ে-টেড়ে চলে যেতে গিয়েও আমাকে দাঁড়াতে হয়েছিল
একটা চাঁদের মাঠে, নিভৃতি শেষ হলে সেখানেও কোথাও
আবিষ্কার করিনি নিজেকে, কেবল একটা আবছায়া

হাজিরা খাতায় ১০০ তে ১০০, তবু অনুপস্থিতির জাল
পূর্ণ পূর্ণ শূন্যতায় কেবল একটা আবছায়া। হিজলের, জামের

২০.০২.১৯