Thursday, April 30, 2015

একটি নিখাদ প্রেমের কবিতা

মহাশূন্যতাই যদি অনন্ত আশ্রয়
তবে সত্য হউক অশ্বডিম্ব।
ইশ্বর, তোমার মনুষ্যজন্ম কতটা রোমাঞ্চকর ছিল
সে চিন্তা থাক। ভালবাসার নাম করে তুমি যতই
হাউমাউ করে কাঁদো মহান সংসদে, সেটা অবশেষে
গ্রাম্যতা বলেই পরিগনিত হবে। তোমার নিযুতবর্ষি
অপেক্ষারা ঝুলে থাকুক বিরাণ জানালায়, ব্যস্ততম
চৌরাস্তায়, বেদখল হয়ে যাওয়া ব্যালট বাক্সে
মুঠোফোনের কম্পনে কিংবা ভিনদেশি পাহাড়ি বৃষ্টিতে
তুমিও জান, মহড়া শেষ হয়ে গেলে মুখ্য নারীবাদীও
মুখ লুকাবে চওড়া লোমশ একান্ত নিজস্ব বুকে
আর ঘর-পুরুষ পুড়বে পর-নারীর তাপে।
সুতরাং তুমি তোমার একতারায় তুলতে পার যেকোনো সুর
কিংবা ছেঁড়ে ছুঁড়ে বাজাতে পার জাইলোফোন।


৩০.০৪.২০১৫

Sunday, April 26, 2015

কম্পন

কে দাঁড়িয়ে আছো হতোদ্যম জানালায়

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলে জানালার কাঁচ
আমি মুঠোফোনের কম্পন বলে ভুল করি।
কাঠমুন্ডুর রাস্তার ফাটল দেখে
আমি ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি দিল্লির হাসপাতাল
প্রিয়তমা তুমি কেমন আছ?

Wednesday, April 8, 2015

শুভ্রতায় জমেছে ঘাস

শুভ্রতায় জমেছে ঘাস
আমি আঁধারে ফের পরিচিত মুখ দেখে
কেঁপে উঠি। বৃষ্টিস্নাত মধ্যরাতকে ডেকে বলি
‘আমায় ঘুম পাড়িয়ে দাও’।

অভ্যস্ত সবকিছুই সাদাকালো
রঙ লাগেনা ঠোঁটে এমনকি ধূসর কালো বুটে
তোমার পাল তোলা ভুরুতেও আছড়ে পড়ে না কাল বোশেখি
কোন পন্যে কিনি বল তোমার প্রেম, সখি

পবিত্রতায় জমেছে পরিশ্রান্ত ঘাম
আমি বারবার জোর করে চোখ বুজে থাকি
তবু আবছায়া গুলো জ্বলতে থাকে ভূলোকে দ্যুলোকে
রক্তে কাঁপন জাগে তোমাকে ছুঁয়ে থাকার পুলকে

রাই কিশোরী, শ্যামের বাঁশীতে তবে কাঁপুক বুক
বাজুক নুপর, স্নাত হউক খরাতপ্ত বিপন্ন দুপুর


০৮.০৪.২০১৫