Friday, February 22, 2019

বহির্লীন


নির্নিমেষে অনন্ত ধরেছিলে তুমি
অনন্তে আমিও ছিলাম, তবু মনে হয় ছিলাম কি?
কী অবলীলায় আস্ত একটা থাকা
না থাকা হয়ে যায়, গোটা একটা ইতিহাস
তোমার চোখের ধোঁয়াশায় মুছে যায়
মুছে যায় পানকৌড়ির রাত

বয়স্ক জ্যোৎস্নায় কেউ থাকে না জেগে
জলা জঙ্গলায় কেবলি ছায়ারা হাঁটে, হাঁটে
ভীষণ একে বেঁকে
কিচ্ছু হয় না, কোথাও পড়ে না দাগ
ধুলিঝড়ে বেদনা যে লিখি, উড়ে যায়, সমূল সবাক

আমি চলে যাওয়া রিক্সাকে আমার বিহ্বলতার কথা বলি
আমি প্রচারিত নই এমনকি অবিজ্ঞাপিত তরঙ্গেও

০৪.০২.২০১৯

সংশয়


কোনো শব্দই আমাকে টানে না আর
কেবল নিজেরই পদশব্দে ফিরে তাকাই
বারবার। যে শাদাকে শাদা বলে শিখে এসেছি
আলম, তুইও জানিস আমরা তখনো নিঃসংশয় ছিলাম না

এখনো সংশয়ে দোলে সংরাগ, কে হে তুমি প্রাকৃত জন?

এই জনারণ্যেই তোমার সংরক্ষিত বন
ধ্যানভঙ্গ হলে তুমিও খুঁজে নাও জাগতিক ওম
ইশ্বরের আস্তিন ধরে টান দিলে
                বের হয়ে পড়ে যুবতির স্তন

আমি বি-দেহী পর্যটক, উনুনের আঁচে মাপি জলেশ্বরীর ঘাম

০২.০২.২০১৯