(খুব ভোরে অফিসের জন্যে
ঘুম থেকে উঠার আগেই সহকর্মী, ছোটভাই তুল্য সোলায়মানের ফোনে জানলাম আজ অফিস যেতে
হবে না, শাট-ডাউন ঠিকঠাক মত হওয়ায় আজ রেষ্ট, যদিও ঈদ শেষে আজই আমার জয়েন করার কথা)
আজ ভোর না হতেই সোলায়মানের
পিঁপড়েরা কানে কানে বলল
আজ ছুটির দিন
আজ ছুটির দিন আজ ছুটির দিন
আজকে আমি কি দিব্যি পাখির
কথা বুঝতে পারছি
কি দিব্যি পিঁপড়ের কথা বুঝতে পেরে সময় পিছিয়ে দিলাম
আজকে আমি ঘুমাব অনেক বেলা
আজকে আমি রবীন্দ্রসঙ্গীত
শুনব
যেন হেলাফেলা
আজকে আমি বালিশে হেলান
দিয়ে থাকব শুয়ে
যদিও জানি ঘাড়ে ব্যাথা হয়ে
যাবে
হউক
আজকে আমি উঠব জেগে দুপুর
হয়ে।
বিবিয়ানা তোমার সঙ্গে আজ
আর নেই লেনাদেনা
তুমি যতই আজ কুশিয়ারায় পা
ডুবিয়ে আড় চোখে তাকাও
টুপ করে ডুব দিয়ে
ভেজা কাপড়ে যতই দোলাও নিতম্ব
আমি কিছুতেই আজ তুমি মুখী
হবোনা।
আজ আমি ঘুমুব কিংবা ঘুমুব
ও না
তোমাকে পাওয়ার জন্যে
তন্দ্রায় মল্ল যুদ্ধে নামব
জন আব্রাহামের সঙ্গে
অথবা পাওলো রসি’র সঙ্গে
খেলবো ফুটবল ।
আজ আমি কেবলি বিভোর হব
স্বপ্নে
অথবা স্বপ্নও দেখবো না,
তন্দ্রায় ছুঁয়ে থাকব তোমাকে-
আদি ও অনাদিকালের
স্বস্তি ও অস্বস্তিময় হে জীবন
সুখ ও অসুখের
প্রেম ও প্রেমহীন হে জীবন
কাম ও কামনার
প্রাপ্তি ও প্রাপ্তিহীন হে জীবন
আজ সারাটা সকাল আমি তোমার
ওষ্ঠে ওষ্ঠ ছুঁয়ে থেকে বলব
‘আহ্ জীবন’।
১৮.১০.২০১৩