(কবিতাটা নিয়ে একটা খচখচানি ছিলই। তাই কিছু লাইন
বদলে কবিটাতে অন্য অবয়ব দেয়ার চেষ্টা করেছি। মন্দ কি একই অঙ্গে ভিন্ন রূপ!!)
মহাশূন্যতাই যদি অনন্ত আশ্রয়
তবে সত্য হউক অশ্বডিম্ব।
ইশ্বর, তোমার মনুষ্যজন্ম কতটা রোমাঞ্চকর ছিল
সে চিন্তা থাক। ভালবাসার নাম করে তুমি যতই
হাউমাউ করে কাঁদো মহান সংসদে, সেটা অবশেষে
গ্রাম্যতা বলেই গন্য হবে। তোমার নিযুতবর্ষি
অপেক্ষারা ঝুলে থাকুক বিরাণ জানালায়, ব্যস্ততম
চৌরাস্তায়, বেদখল হয়ে যাওয়া ব্যালট বাক্সে
মুঠোফোনের কম্পনে কিংবা ভিনদেশি পাহাড়ি বৃষ্টিতে
আর যথারীতি পৃথিবী ঘুরুক তার নিজেরই অক্ষে
‘ভগ’এ ই চলুক মানুষের ভোগ
ক্ষমতার মহান মসনদে একনায়ক আর একইশ্বরে
আমরা বরং সমবেত হই এক কাতারে
এবং অন্ধকারের সিঁড়ি বেয়ে আমাদের যাপিত জীবন
অচ্ছুতই থেকে যাক দুঃস্বপ্নের সীমানায়
আমি অপেক্ষায় থাকি তোমার দুর্দশাগ্রস্থ লাজুক
চেহারা দেখবার জন্যে যখন তুমি কান্না লুকাতে গিয়ে
পুব আকাশে রংধনু হয়ে জেগে ওঠ। ইশ্বর
তোমার দুঃখ ভুলানিয়া রংচঙে রূপ দেখে আমি
অপলক চেয়ে থাকি, যেমন করে কিশোরীর স্তন
দেখে আলাভোলা নাকাল কিশোর
No comments:
Post a Comment