Saturday, July 14, 2018

একটি কবিতার ধ্বংসাবশেষ


আমি যেখানে রোজ হাঁটি, তার পাশেই ধ্বংসাবশেষ নিয়ে হাঁটে একটা পৃথিবীও
আমি তার পোড়া গন্ধ নিতে নিতে হাঁটি, অবশেষগুলো উল্টে পাল্টে দেখি।
দেখি একজন যৌন(জন শব্দটি আমার কেবল যৌন যৌন মনে হয়)প্রিয় কবির সতেজ হাড়কে আখ ভেবে চর্বন শেষে চুষছেন একজন রাজনীতিকপাশে দাঁড়িয়ে নমিতমস্তক কবি উদ্গীরণ করছেন ততোধিক রসদেখি একজন জন(জন শব্দটি আমার কেবল যৌন যৌন মনে হয়)প্রিয় নায়িকার অবশেষ হিশেবে বেঁচে আছে কেবল তাঁর সিলিকন স্তনবাকি প্রত্যঙ্গগুলো থেকেও সংরক্ষণ রস নিঃসৃত হয় বিধায় আমার সেদিকে যেতে প্রবৃত্তি হয় না।
প্রিয়(প্রিয় বললে আমার কেবল জনপ্রিয় মনে হয়) লেখক বন্ধুর চারপাশে মৌ মৌ করে বডি স্প্রে’র গন্ধ যদিও শব্দ আর অক্ষর পচে বের হচ্ছে পুঁজ। আমার প্রিয়((প্রিয় বললে আমার কেবল জনপ্রিয় মনে হয়) বন্ধুর স্ত্রীর জীবন যাপন সংক্রান্ত হা-হুতাশে তরতাজা লাফানো মাছগুলো কেমন বোবা চোখে তাকিয়ে থাকে। জনৈক বুদ্ধি বিক্রেতার উৎফুল্ল মগজে মুকুটের মত লেপ্টে আছে কোলাহলপ্রিয় কাকের বিষ্ঠা। বলাই বাহুল্য মগজের হাটে ফেসবুক মূল্যে বিক্রি হচ্ছে তাবৎ মেধাবীদের মগজ।
সভ্যতা নামক যে অ্যাম্ফিথিয়েটারে দিনরাত প্রদর্শিত হচ্ছে নাটক, সে নাটকের আমিও একজন কুশীলব। সুতরাং ডিরেক্টরের নির্দেশনা ব্যতীত আমিও চিন্তারহিত। শুধু আমার একান্ত ব্যক্তিগত হাঁটার সময়গুলোতে আমার অলস মগজে পায়চারি করে কিছু কবিতার ধ্বংসাবশেষ, যখন দেখি সভ্যতার আলোকোজ্জ্বল চাতালে অবলীলায় পেচ্ছাব করে যায় আন্দামানের এক জারাওয়া নারী

আর ‘অসভ্য’ ‘অসভ্য’ বলে চিৎকার করতে থাকে।

১৪.০৭.২০১৪


No comments:

Post a Comment