সঙ্গত কারণেই আপনার দ্বিমত করার সুযোগ থাকলেও, আসুন এইসব আমরা
এড়িয়ে যাই। মূলবাদীদের উস্কে না দিয়ে বরং আমরা সমূল এড়িয়ে যাই বাস্তব। মন খারাপের দিনে
পরাবাস্তবেই হাতড়াই রসদ। রসদ মানে রস আর দ। হাঁটু ভাঙা দ। ছোটবেলায় হাঁটুভাঙ্গাও ঝালাই
হয়েছে দ লিখতে গিয়েই। আর মনে পড়ে ইদ্রিসের দ। ইদ্রিসের কথা মনে পড়ে গেল! ইশ হাঁটু টাটু
ছিলে টিলে কী যে অবস্থা। কিয়েক্টাবস্থা!! তবু কিচ্ছু টের পেল না হোস্টেল সুপার এর ভয়ে
খাটের নীচে ‘উপুড় দ’ হয়ে লুকিয়ে থাকার আগ পর্যন্ত। আর ওই ভাড়াটে মেয়েটা? পয়সা কী পেয়েছিল?
বলছিলাম মন খারাপের দিনে রসদ। বেইলি রোডে উড়ে দোপাট্টা। পুরোটা
বাস্তব নয়, বাস্তবে কিছুটা পরা ও মিশেল দিতে হয়। তবেই না রস। আর দ। বললেই কেমন রস ঝরে,
আদিম। জনৈক হুজুর, জনৈক বাস চালক ও হেল্পার, জনৈক বৃদ্ধ, জনৈক মাঝবয়েসী শিক্ষক, জনৈক
কচি রাজনীতিক। সকলের রস চাই, তার উপরে দ। একটা হুলুস্থুল কাণ্ড এই পৃথিবীতে। পুরুষরাই
একমাত্র খাদক। মানবিক, রাজনৈতিক আর প্রাকৃতিক সব শক্তিমত্তাই পুরুষের দখলে, সুতরাং
ভক্ষণ স্বেচ্ছায় না হলেই কী? আইন?? সেতো নস্যি...
এইসবে মনখারাপ হলে বেইলি রোডে যাই। হাঁটি। বেইলি রোডের তবু মনখারাপ
হয় না। তার তবু উড়ে দোপাট্টা, আসলে দোপাট্টাও নাই। বাস্তবে পারাবাস্তবে পুরুষের কেবল
রসদই চাই...
১৩.০৫.২০১৯
No comments:
Post a Comment