অমিত, আমি জানি কেন আপনি কবিতার ধ্বংস চান
কেন আপনি প্রতিষ্ঠানের ধ্বংস চান, এমনকি রাষ্ট্রের
আপনি হয়তো জানেন না আমিও কবিতা লিখি
কী লিখি জানিনা, জানাতেও চাই না আমি পৃথিবীকে
কী লিখি জানিনা, জানাতেও চাই না আমি পৃথিবীকে
কিন্তু কবিতার যন্ত্রণা থেকে আমি কিছুতেই মুক্তি
পাই না
অফিস থেকে ছুটি নিয়ে ঘরে বসে থাকি, তবু অসহ্য ঠেকে
পত্রিকার হেডলাইন, টেলিভিশনের লাইভ স্ট্রিমিং, মানুষের
পিটিয়ে মানুষ হত্যা, বসার চেয়ার, ল্যাপটপ, বোবা দেয়াল অসহ্য ঠেকে
অফিস থেকে ছুটি নিয়ে ঘরে বসে থাকি, তবু অসহ্য ঠেকে
পত্রিকার হেডলাইন, টেলিভিশনের লাইভ স্ট্রিমিং, মানুষের
পিটিয়ে মানুষ হত্যা, বসার চেয়ার, ল্যাপটপ, বোবা দেয়াল অসহ্য ঠেকে
মসজিদ মন্দির প্যাগোডা গির্জায় আমি মানুষের মুখ
দেখি
চোখ দেখি আর দেখি কবিতার দহন, আরাধ্য জীবন আর যাপনের পীড়ন
চোখ দেখি আর দেখি কবিতার দহন, আরাধ্য জীবন আর যাপনের পীড়ন
আইফেল টাওয়ারের উপর দাঁড়িয়ে পেচ্ছাব করে দিয়ে
জাতিসংঘের পতাকা ভিজিয়ে দিলেও টিপ টিপ সেই পেচ্ছাব
মানুষেরই উপর পড়বে।
অমিত, আপনার পিস্তল ঘুরিয়ে নিজেরই দিকে তাক করুন
কেননা আপনিও কবি।
এইসব বেজন্মা ভাব ভাবান্তরই কবিতা (কিংবা ঈশ্বর)
জাতিসংঘের পতাকা ভিজিয়ে দিলেও টিপ টিপ সেই পেচ্ছাব
মানুষেরই উপর পড়বে।
অমিত, আপনার পিস্তল ঘুরিয়ে নিজেরই দিকে তাক করুন
কেননা আপনিও কবি।
এইসব বেজন্মা ভাব ভাবান্তরই কবিতা (কিংবা ঈশ্বর)
হে ঈশ্বর, আপনাকে, হ্যাঁ আপনাকেই বলছি
পরবর্তী প্রলয় না হওয়া পর্যন্ত আপনি বরং ঘুমান
উদ্ভাসিত ইতিহাসের যে চোরা রক্তস্রোত
তার থেকে পরিত্রাণ নেই ভবিতব্যেরও। তবু
বিষণ্নতার গহ্বরে কবিতার মদিরা (কিংবা ঈশ্বরের)
আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখুক
পরবর্তী প্রলয় না হওয়া পর্যন্ত আপনি বরং ঘুমান
উদ্ভাসিত ইতিহাসের যে চোরা রক্তস্রোত
তার থেকে পরিত্রাণ নেই ভবিতব্যেরও। তবু
বিষণ্নতার গহ্বরে কবিতার মদিরা (কিংবা ঈশ্বরের)
আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখুক
একটা ‘অনুদ্ধারণীয়’ সন্ধ্যা’র পরে
সারারাত আমি কবির মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে থাকি
কিছু মাছি ভনভন করে কেবল, লোবান নিষিদ্ধ এখানে
সারারাত আমি কবির মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে থাকি
কিছু মাছি ভনভন করে কেবল, লোবান নিষিদ্ধ এখানে
(কবিতার নামকরণ বুদ্ধদেব বসু’র ছোটগল্প ‘অনুদ্ধারণীয়’
থেকে নেয়া। কবিতার আলোও মঞ্চায়িত ‘অনুদ্ধারণীয়’ থেকে জ্বলে উঠা স্ফুলিঙ্গ থেকেই)
No comments:
Post a Comment