নিজের নয়, রাস্তার ক্লান্তি নিয়ে ভাবি
খেতের আল ধরে চলতে চলতে গোপাট, বুড়ো গাবগাছ
আমার শৈশবে সন্ধ্যা হলে ওখানে ভূতের আসর জমতো
যদিও অনেক প্রশস্ত ছিল, ছিমছাম ছমছম
তারপর গলি ঘুপচি পেরিয়ে সদর রাস্তা
আমার শৈশবে সন্ধ্যা হলে ওখানে ভূতের আসর জমতো
যদিও অনেক প্রশস্ত ছিল, ছিমছাম ছমছম
তারপর গলি ঘুপচি পেরিয়ে সদর রাস্তা
সদর রাস্তা বরাবরই ঝলমলে, রোদোজ্জল
আবার হুটহাট লোকচক্ষুর সামনেই
বৃষ্টির পানিতে পোয়াতি হয় খানাখন্দ, ফুলে ওঠা নাভি
চিকচিক করে রোদে, আবার ভাঙ্গে, গড়েও আবার
আবার হুটহাট লোকচক্ষুর সামনেই
বৃষ্টির পানিতে পোয়াতি হয় খানাখন্দ, ফুলে ওঠা নাভি
চিকচিক করে রোদে, আবার ভাঙ্গে, গড়েও আবার
তারপর বামে লম্বা শুয়ে থাকে নদী, ডানে ফসলি মাঠ
শতবর্ষী বটগাছ। ভরদুপুরে বাদুড় গুলো ঠেকা দিয়ে রাখে আকাশ।
শতবর্ষী বটগাছ। ভরদুপুরে বাদুড় গুলো ঠেকা দিয়ে রাখে আকাশ।
রাস্তা চলতেই থাকে, বামে সেই নদী, ডানে দলছুট ঘরবাড়ি
জমি জিরোত, তারপর কবর। আমাদের সকলেরই কবর
গ্রাম ছেড়ে একটু দূরে আমাদের সকলেরই পড়শি। বাবার
হাড়গোড় না জিরোতেই সন্তানের দৌড়, অপেক্ষায় জাবর কাটে
অনন্তের ঘর।
জমি জিরোত, তারপর কবর। আমাদের সকলেরই কবর
গ্রাম ছেড়ে একটু দূরে আমাদের সকলেরই পড়শি। বাবার
হাড়গোড় না জিরোতেই সন্তানের দৌড়, অপেক্ষায় জাবর কাটে
অনন্তের ঘর।
রাস্তা তবু থামেই না, সেই একই রকম ভাঙাচোরা, কখনো চকচকে,
কিছুদূর পরে জলের ঘাট, ঘরবাড়ি, আদিগন্ত ছড়ানো মাঠ
কিছুদূর পরে জলের ঘাট, ঘরবাড়ি, আদিগন্ত ছড়ানো মাঠ
‘কে জানে তুই শেষ কবে হবি’
নিজের নয়, রাস্তার ক্লান্তি নিয়ে ভাবি
০৩.০১.২০১৮
No comments:
Post a Comment