অতঃপর সরকারি
চাকুরে থাকার শেষ সময়ে এসে
অর্থকড়ির
লাম্পট্য ক্লান্ত হলে তিনি একা হলেন।
স্ত্রী-সন্তানদের
উপর বিরক্তি তাঁর অনিবার্যই ছিল
সে রাস্তা বাঁশের
কঞ্চি দিয়ে তিনি আগেই ঢালাই
করে রেখেছিলেন। ফলত
অভব্য মানুষজনের কপালে
রাস্তায় হাঁটতে
না পারার দোষারোপ অনিবার্যই ছিল।
তাঁর একাকীত্ব
লাঘবের নিমিত্তে, আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে
স্ব-ধর্মমতে তিনি
আরেকটা বিবাহ করিলেন, তখন তাঁর বিবিধ
হুমকিগুলো টাকার নোটের
কড়কড়ে শব্দ বলে মনে হচ্ছিল।
তিনি যখন নিকট-উনাত্মীয়দের
ডেকে বলতে লাগলেন, ‘দেখে যাও-
আমি কতটা সুখে
আছি’, তখন আমরা বুঝিলাম
অহিসেবি-অনর্থকে
মুড়িয়ে মুড়িয়ে নারীর যৌনাঙ্গে
প্রবেশ করানোর
নামই সুখ।
০৯.১০.২০১৮
No comments:
Post a Comment