সবার সবকিছু
মানায় না, তবু তুমি যখন
সূর্যমুখী সিনেমা
হলের সামনে দিয়ে জগন্নাথপুর হয়ে
বাঁশগাড়ির দিকে
যাওয়া খালটা বেচে দিয়ে ছাদের
সুইমিংপুলে ডুব
সাঁতার দিচ্ছ রোজ, কেমন মানিয়ে যায়।
আমরা বালির ঘর
বানাতাম মিথ্যামিথ্যি, তারপর
ভেঙে দিয়ে সত্যসত্য
জীবন বানাতে গেলে
প্রায়ই আমাদের মিথ্যামিথ্যি
বালির ঘরের কথা মনে হয়।
এইসব সত্যসত্য
জীবন, মিথ্যামিথ্যি অনুভব
করতলে তুলে ধরা
জলের মতন কেমন মানিয়ে যায়
এইসব মানিয়ে
যাওয়া স্তূপে পৃথিবীর ঠোঁট জেগে উঠলে
আবার প্রেমে পড়ে
যাই, জাদুমন্ত্রের মত টুকরো কাচগুলো
উড়ে এসে জোড়া
লেগে যায় আমাদের অবিশ্বস্ত চুম্বনেও।
চুম্বন, ভালবাসার
স্বপ্নঘোরে তৃষ্ণাচ্ছন্ন এমন
২৭.১০.১৮
সত্যের এই চিরন্তন ঠিকানা যে জানে,সুরের মূর্ছনা তার জীবনের নিত্য ঐকতানে।মোহন সংগীত ধ্বনি অদৃশ্য প্রেক্ষাপট থেকে জলের ঢেউয়ের মত ছন্দময়। ইশারায় নির্বাণের পথে যেনো ডাকে। হয়তোবা তাই মানিয়ে যায়, অথবা আমরা সেটাই দেখতে চাই হোক সেটা মিথ্যামিথ্যি অনুভব বা অবিশ্বস্ত চুম্বন.. ...তবুও চুম্বন ভালবাসার স্বপ্নঘোরে তৃষ্ণাচ্ছন্ন এমন!! !!
ReplyDeleteধন্যবাদ আপনাকে
DeleteThis comment has been removed by the author.
ReplyDelete