কিছুই যখন করার নাই, আসুন একটা দুপুরের গল্প শুনি
উঠান জুড়ে ছিল রোদ, এককোণে
শুকিয়ে যাওয়া নারকেলের খোলে পানি চিকচিক করছিল
একপাশে জমিয়ে রাখা নিকোনো আবর্জনা
এত মানুষের জমায়েত, তাঁর জন্যে বিরল অভ্যর্থনা
তাঁর নিশ্চিন্ত চোখ বলছিল, অবহেলা করার সব
প্রয়োজন ফুরালো, জীবনে কোনো সিদ্ধান্ত না নিতে পারার
অপবাদও তিনি একাই ঘুচালেন। তিনি শুয়ে ছিলেন
শিশুটিও ছিল পাশে। এই জীবনে আর কখনো শয্যা হবে না
কাছে
তো, যে গল্প বলছিলাম, তিনি শুয়ে ছিলেন উঠানের ঠিক
মাঝখানে
তাঁর সফেদ পোষাক থেকে ঈশ্বরের দ্যুতি ছড়াচ্ছিল, আর মানুষেরা
আর মানুষগুলো, কাছের আর দূরের, কেউ কাঁদছিল
কেউ কান্না চেপে রাখছিল, কারো কারোরটা কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না
তবু তিনি শুয়েই ছিলেন, নির্বিকার, যেন ঈশ্বর
তাঁর সফেদ পোষাক থেকে ঈশ্বরের দ্যুতি ছড়াচ্ছিল, আর মানুষেরা
আর মানুষগুলো, কাছের আর দূরের, কেউ কাঁদছিল
কেউ কান্না চেপে রাখছিল, কারো কারোরটা কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না
তবু তিনি শুয়েই ছিলেন, নির্বিকার, যেন ঈশ্বর
শিশুটিও ছিল পাশে, বোধ নির্বোধের অজানা ঘোরের মাঝে
এইসব আয়োজন, কান্নার রোল, দুর্বোধ্যতা আর
একটা শিশুর ভবিতব্য ভেবে ভেবে
একটা দমকা হাওয়া ছুঁয়ে গেল কি লাশটা?
একটা শিশুর ভবিতব্য ভেবে ভেবে
একটা দমকা হাওয়া ছুঁয়ে গেল কি লাশটা?
ভীষণ অস্থিরতায় দাঁড়িয়ে গেছিল গাছটা
আমি তার নীচে বসে স্থির
পুকুরের পানিও কাঁপছিল তিরতির
আম্মা, তোমার জন্য কত আয়োজন, কত্তো ভীড়!!!
No comments:
Post a Comment